বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ায় এক স্থানীয় নারী পুলিশ কনস্টেবল মো. আব্দুর রহমানের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ তুলেছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী মোছা. তুলা রানী গত ১৭ সেপ্টেম্বর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে লিখিত অভিযোগ দেন এবং বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি প্রকাশ করেন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রায় ৪–৫ বছর আগে তালাকপ্রাপ্ত হওয়ার পর তুলা রানীর সঙ্গে আব্দুর রহমানের পরিচয় হয়। তখন আব্দুর রহমান পাবনার সাথিয়া থানায় কর্মরত ছিলেন। একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় তাদের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ে।
অভিযোগকারিণীর দাবি, বিবাহের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি দীর্ঘদিন তাকে সম্পর্কের মধ্যে জড়ান। এ সময় আব্দুর রহমান একাধিকবার বগুড়ার বিভিন্ন হোটেল ও পার্কে নিয়ে গিয়ে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক করেন।

অভিযোগে বলা হয়েছে, এভাবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার পর আব্দুর রহমান বিবাহের আশ্বাসে তুলা রানীর কাছ থেকে পর্যায়ক্রমে প্রায় ৯ লাখ ২০ হাজার টাকা নেন। সর্বশেষ চলতি মাসে তিনি ছুটিতে গ্রামের বাড়ি আসেন। ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে সুযোগ বুঝে তার বাড়িতে গিয়ে আব্দুর রহমান জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর সেদিনই বিবাহের আশ্বাস দিয়ে কৌশলে সরে পড়েন।

তুলা রানীর দাবি, ঘটনার পর তিনি কনস্টেবলের পরিবারের কাছে বিচার চাইলে তারা বিষয়টি প্রকাশ না করতে বলে দ্রুত বিয়ের ব্যবস্থা করার আশ্বাস দেন। তবে এরপর থেকে আব্দুর রহমান যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করেন এবং কর্মস্থলে ফিরে যান। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া দাবি জানান তিনি।





