প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ মিথ্যা তথ্য দিয়ে বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পদাক আবু হাসানকে হেয় করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে শহরের কলোনী এলাকার বাসিন্দারা রবিবার দুপুরে ঝাড়ু মিছিল করেছেন। দুপুর ১টার দিকে শহরের স্টেশন রোডে প্রেসক্লাবের সামনে থেকে ঝাড়ু মিছিলটি শুরু হয় এবং জিরো পয়েন্ট সাতমাথায় গিয়ে শেষ হয়। মিছিলে পুরুষদের পাশাপাশি শত শত নারীও অংশ নেন।
এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কলোনীবাসীর পক্ষ থেকে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে যুবদল নেতা আবু হাসানের বিরুদ্ধে বসত-বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট বলে তা প্রত্যাখ্যান করা হয়। কলোনীর বাসিন্দাদের পক্ষে জনৈক মিজানুর রহমান মিজান নামে একজন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের নানা প্রশ্নেরও উত্তর দেন। সংবাদ সম্মেলনে তার সঙ্গে এলাকার বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা আবু হাসানের বিরুদ্ধে বসত-বাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ উত্থাপনকারী জিন্নাত আরাকে ‘ধুরন্ধর’ উল্লেখ করে বলা হয়, ‘যুবদল নেতা আবু হাসানোর বিরুদ্ধে শনিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে জিন্নাত আরা নামে যে নারী সংবাদ সম্মেলনে করেছেন তিনি কলোনী এলাকার শীর্ষ সন্ত্রাসী কামাল হোসেনের স্ত্রী। বর্তমানে পলাতক কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে হত্যা, চুরি, ডাকাতি, ভুমি দস্যুতা এবং ছিনতাইসহ একাধিক মামলা রয়েছে। কামাল হোসেনের অপর দুই ভাই ঝন্টু এবং মিনকোও শীর্ষ সন্ত্রাসী। কয়েক বছর আগে পুলিশের সঙ্গে ক্রস ফায়ারে সন্ত্রাসী মিনকো মারা যায়।
মিজানুর রহমান মিজান বলেন, জিন্নাত আরা শনিবার বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে বগুড়া জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আবু হাসান সম্পর্কে অনেক মিথ্যা তথ্য দিলেও কৌশলে নিজের স্বামীর পরিচয় গোপন করে গেছেন। একইভাবে তার স্বামীর দুই ভাই ঝন্টু এবং মিনকোর কথাও চেপে গেছেন। কারণ স্বামী এবং দেবরদের তথ্য সাংবাদিকরা জানতে পারলে তার কথা আর কেউ বিশ্বাস করবেন না। তাছাড় ওই নারী জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক জয়নাল আবেদীনকে ‘চাচা’ হিসেবে যে পরিচয় দিয়েছেন তাও ডাহা মিথ্যা। আপনারা সাংবাদিকগণ জয়নাল আবেদীন চাঁনের কাছে খোঁজ নিলেই তা জানতে পারবেন।
সংবাদ সম্মেলনে যুবদল নেতা আবু হাসানকে নম্র এবং ভদ্র উল্লেখ করে বলা হয়, ‘আমরা কলোনীবাসী আমাদের চোখের সামনেই আবু হাসান বড় হয়েছেন। আজ পর্যন্ত তিনি কারও সঙ্গে কখনও খারাপ ব্যবহার কিংবা কটু কথাও বলেন নি।’ আবু হাসানের ৪৫ লাখ টাকার গাড়ির তথ্যকে মিথ্যা আখ্যায়িত করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, তার নামে গাড়ি তো দূরের কথা একটি মোটর সাইকেলও নেই।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে মিজানুর রহমান মিজান, জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, উত্থাপিত অভিযোগগুলো আগামী ৭ দিনের প্রমাণ করতে না পারে তাহলে জিন্নাত আরার বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া ভুয়া নামে ফেসবুকে যেসব অ্যাকাউন্ট থেকে যুবদল নেতা আবু হাসানের চরিত্র হনন করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে সেগুলোর বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।





