নিজস্ব প্রতিবেদক : বগুড়ায় ২১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল বাকীর বাড়িতে ২০ রাউন্ড গুলি রেখেচাঁদা দাবী করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে আটক হয়েছে এক পুলিশ কনস্টেবল।

জানাগেছে, জনতার হাতে আটক ও গণপিটুনীর শিকার পুলিশ কনস্টেবল রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মামলা করতে থানায় যান ভুক্তভোগির পরিবার। গত ২৪ ঘন্টায় কোন ব্যবস্থা না নিয়ে ওই নেতার মেয়ে অ্যাডভোকেট শাপলা খাতুনের মামলাও ঝুঁলিয়ে রাখা হয়। বিষয়টি মিমাংসা করতে পুলিশের পক্ষে চাপ দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে। তবে শুক্রবার সন্ধ্যায় মামলাটি রেকর্ড হয়েছে শাজাহানপুর থানায়।

কনস্টেবল রুহুল আমিন গত (৩ জুলাই) বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে আবারও ওই নেতার বাড়িতে যান। এ সময় বাড়িতে কোন পুরুষ সদস্য না থাকায় পরিবারে মহিলাদের সাথে কথা বলেন। পরে ছেলে সাজ্জাদ হোসেন সবুজ বেলা দেড়টার দিকে বাড়ী এলে তার সাথে কথা বলার জন্য বাড়ির বাইরে যান। ৫ আগস্ট সদর থানা থেকে অনেক অস্ত্র লুট হয়েছে। এ বাড়িতে কিছু অস্ত্র আছে বলে তিনি বলে সবুজকে বাড়ির পাশে পরিত্যক্ত একটি টিনের কৌটার কাছে নিয়ে যান। সেখান থেকে শর্টগানের পাঁচ রাউন্ড গুলি বের হয়। এ সময় ওই কনস্টেবল রুহুল আমিন, সবুজকে বাড়ির ভিতরে নিয়ে আসেন। এবং মামলার ভয় দেখান। এছাড়াও একটি ব্যাগ থেকে ১৫ রাউন্ড গুলি বের করে বলেন, এসব দিয়ে মামলা দেওয়া হবে।

সাজ্জাদ হোসেন সবুজ ভয় পেয়ে তার বোন বগুড়া অ্যাডভোকেটস বার সমিতির সদস্য অ্যাডভোকেট শাপলা খাতুনকে ফোন দেন। কনস্টেবল রুহুল আমিনও ফোনে শাপলা খাতুনকে বাড়িতে গুলি থাকার বিষয়টি উল্লেখ করে মামলার ভয় দেখান। এসব ঘটনা থেকে পরিবারের লোকজনের কাছে তখন এক লাখ ৩০ হাজার টাকা চাঁদাদাবি করেন।

এ বিষয়ে অ্যাডভোকেট শাপলা খাতুন জানান, “তার ভাই সবুজ দুই বছর আগে থেকে ব্রেন টিউমারের রোগি। তিনি তাকে হয়রানি না করতে কনস্টেবলকে অনুরোধ করেন। এরপরও কনস্টেবল সবুজকে ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে টাকা দাবি করেন।”





