বগুড়া প্রতিনিধি: বিউটি পার্লালের স্বত্তাধিকারী এক যুবতীকে নায়িকা বানানোর কথা ও বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষনসহ মারপিট করে গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগে এক মামলায় আশরাফুল ইসলাম ওরফে হিরো আলম (৪০) এর বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল হতে গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর আদেশ দেয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন টাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মোঃ আনোয়ারুল হক ওই গ্রেফতারী পরোয়ানার আদেশ দেন।

জনৈকা সাদিয়া রহমান মিথিলা (২৭) নামের ওই যুবতী বাদি হয়ে বগুড়ার নারী ও শিশু নির্যাতন টাইব্যুনাল- ১ আদালতে ২০২৫ সালের ৪ মে রোববার এই মামলা দায়ের করেন। ওই ট্রাইব্যুনাল হতে মামলার অভিযোগ বিষয়ে তদন্তের জন্য পুলিশ ব্যুরো অফ ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) বগুড়ার পুলিশ সুপারের প্রতি নির্দেশ দেয়া হয়।

ওই ট্রাইব্যুনালে দায়েরকৃত মামলায় অভিযোগে বলা হয়েছে যে, বগুড়ার এরুলিয়া বানদিঘী পশ্চিমপাড়ার মৃত আহম্মদ আলীর ছেলে আসামি আশরাফুল ইসলাম ওরফে হিরো আলম, ওই বাদিনীকে ছোট পর্দার নায়িকা বানানোর লোভ দেখায়। এরপরে হিরো আলম ওই যুবতিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে। জনৈক মৌলভী ডেকে এনে বাদিনীর সাথে হিরো আলম বিয়ে সম্পন্ন করে বিভিন্ন জায়গায় বাসা ভাড়া নিয়ে সংসার করতে থাকে। এরই মধ্যে শট ফ্লিম তৈরীর জন্য তার কাছ হতে হিরো আলম ১৫ লাখ টাকা কর্জও নেয়। পরে ওই যুবতি বিয়ের কাবিনের জন্য চাপ দিলে হিরো আলম গত ১৮ এপ্রিল শুক্রবার বগুড়ার বাড়িতে নিয়ে আসে এবং তাকে পেটের বাচ্ছা নষ্ট করার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। বাদিনী তার পেটের বাচ্ছা নস্ট করতে রাজী না হলে হিরো আলম গত ২১ এপ্রিল বেলা ১০ টার দিকে নিজ বাড়িতে তাকে মারপিট করে। ঘটনার ওই দিন তাকে বগুড়া শহরের একটি ক্লিনিকে ভর্তি করে দিলে তার গর্ভের সন্তান নষ্ট হয়। পরে তাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান হাসপাতালে ২৪ এপ্রিল ভর্তি করা হলে সেখানে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত চিকিৎসা করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ আছে।
পিবিআই পুলিশ পরিদর্শক কবিরুল ইসলাম অভিযোগটি তদন্ত করে গত ২০ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদন ওই ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়।





