ইমরান হোসাইন রুবেলঃ চৈত্রের ত প্ত রোদ উপেক্ষা করে এক দিকে জমিতে গাছ থেকে মরিচ তুলছেন, অন্যদিকে চাতালে লাল টোবা মরিচ শুকানো ও বাছাই করছেন নারী শ্রমিকরা। পারিশ্রমিকে বৈষম্য থাকলেও তবু্ও মুখে হাসি নিয়েই কাজ করছেন তারা।

জানা যায়, বগুড়া অঞ্চলের সারিয়াকান্দি, সোনাতলা ও ধুনট উপজেলার চরাঞ্চলে মরিচ চাষ বেশি হয়। সারিয়াকান্দি উপজেলায় এ মৌসুমে চাষ হয়েছে ২ হাজার ৬৭০ হেক্টর জমিতে। দেশি মরিচ গাছ থেকে তুলতে চার দফা শ্রমিকের প্রয়োজন হলেও, হাইব্রিড মরিচ তুলতে দশ দফায় অন্তত কয়েক হাজার শ্রমিকের প্রয়োজন পরে। আবার মরিচ চাতালে শুকানো ও বাজারজাত করতে নারী শ্রমিকের বিকল্প নেই।
সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি অফিসের পরিসংখ্যান অনুযায়ী , উভয় ক্ষেত্রে অন্তত ২৫ হাজার শ্রমিকের প্রয়োজন পরে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পরিসংখ্যন অনুযায়ী ওই পরিমাণ নারী শ্রমিক দৈনিক পারিশ্রমিক জন প্রতি ৩শ টাকা পেয়েও মুখে হাসির কমতি নেই। ঘাম ঝরানো শরীরে হাসি নিয়ে চাতালে কাজ করছেন, মোরশেদা খাতুন। স্বামীসহ ৩ সদস্যের পরিবারের তিনি প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। এই রকম নারী শ্রমিক মালোপাড়ার মধ্য বয়সী শ্রীমতি কমেলা রানী,পাশের নারচী গ্রামের মেরী খাতুন ও ফুলবাড়ী গ্রামের আদুরীদের মতো হাজারো নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে এই মরিচে । তাঁরা জানান, প্রাপ্ত পারিশ্রমিকে আমাদের সংসারে অভাব অনটন দূর করেছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, চাষ হওয়া জমিতে এই মৌসুমে ফলন হয়েছে ভাল। গাছ থেকে কাঁচা, লাল (টোবা) মরিচ তোলা, শুকানো ও বাজারজাত করতে নারী শ্রমিকেদের দক্ষতা অতুলনীয়।তাই দৈনন্দিন ওইসব কাজে বহু গুনে নারী শ্রমিকদের হাক -ডাক বেড়েছে।





