অনলাইন প্রতিবেদন: উত্তরাঞ্চলে শীতের তীব্রতা দিন দিন বাড়ছে। দিনের বেলায় ঝলমলে রোদ থাকলেও রাত নামার সঙ্গে সঙ্গেই তাপমাত্রা দ্রুত কমে গিয়ে শুরু হচ্ছে প্রচণ্ড ঠাণ্ডা। দিন ও রাতের তাপমাত্রার এই বড় পার্থক্যের কারণে শিশু, বয়স্ক ও নিম্নআয়ের মানুষেরা সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন।

আবহাওয়া অফিস সূত্র জানায়, উত্তরাঞ্চলে বর্তমানে শুষ্ক ও ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। দিনের বেলায় সূর্যের আলো থাকায় কিছুটা উষ্ণতা অনুভূত হলেও সন্ধ্যার পর আকাশ পরিষ্কার থাকায় ভূমির তাপ দ্রুত বিকিরণ হয়ে যাচ্ছে। ফলে গভীর রাতে তাপমাত্রা অনেক নিচে নেমে যাচ্ছে।

রংপুর, পঞ্চগড়, কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট ও নীলফামারী জেলার বিভিন্ন এলাকায় রাতের বেলায় কনকনে ঠাণ্ডা অনুভূত হচ্ছে। অনেক জায়গায় ভোরের দিকে হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, যা শীতের অনুভূতিকে আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দিনে কাজকর্ম কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও রাতের শীতে ঘর থেকে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়ছে। বিশেষ করে খেটে খাওয়া মানুষ ও কৃষিশ্রমিকরা শীতের কারণে কাজের সময় কমিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যাও বাড়ছে বলে স্থানীয় স্বাস্থ্যকর্মীরা জানিয়েছেন।
আবহাওয়াবিদদের মতে, আগামী কয়েকদিন উত্তরাঞ্চলে এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকতে পারে। রাতের তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কাও রয়েছে। এ অবস্থায় প্রয়োজনীয় শীতবস্ত্র ব্যবহার, শিশু ও বয়স্কদের অতিরিক্ত যত্ন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

দিনে রোদ থাকলেও রাতের প্রচণ্ড ঠাণ্ডা উত্তরাঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নতুন করে চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।





