নিজস্ব প্রতিবেদক: তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বর্হিভুতভাবে ১ কোটি ২ লাখ ৬ হাজার ২৯৩ টাকার মুল্যের অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ এনে দায়েরকৃত মামলায় বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাবলু (৬৩) এবং তার স্ত্রী বিউটি খাতুন (৫৫) এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে দুদক এর করা অভিযোগপত্র বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে গ্রহণ করা হয়েছে। সেই সাথে ওই দুই আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারির আদেশ দেয়া হয়েছে।
গত ৫ জানুয়ারি বগুড়ার সিনিয়র স্পেশাল জজ মোঃ শাহজাহান কবির ওই দম্পতি আসামির বিরুদ্ধে এ আদেশ দেন।

মামলায় উল্লেখ আছে, দুদক হতে বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো: রেজাউল করিম বাবলু এবং তার স্ত্রী বিউটি খাতুনের বিরুদ্ধে দুদক পৃথকভাবে তাদের সম্পদ বিবরনী দাখিলের জন্য নোটিশ জারি করে। ওই নোটিশ পাওয়ার পর মোঃ রেজাউল করিম বাবলু এবং তার স্ত্রী বিউটি খাতুন পৃথকভাবে তাদের সম্পদের বিবরণী পরে দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ে দাখিল করেন।

উক্ত সম্পদ বিবরণী যাচাই ও অনুসন্ধান করে প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে দুদক বগুড়া জেলা কার্যালয়ের তৎকালীন উপ-পরিচালক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম বাদি হয়ে ২০২৪ সালের ২৫ মার্চ জেলা কার্যালয়ে জ্ঞাত আয় বহিভুতভাবে সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দুর্নীতি দমন কমিশন আইনে ওই দম্পতির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরে মামলাটি সহকারী পরিচালক জাহিদুল ইসলাম তদন্ত শেষ করে ওই আসামিদের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বর্হিভুতভাবে ১ কোটি ২ লাখ ৬ হাজার ২৯৩ টাকা অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ পায়। দুনীতি দমন কমিশন ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে পলাতক ওই আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারির জন্য অনুমতি চাওয়া হয়।

এছাড়াও তথ্য গোপন করে জ্ঞাত আয় বর্হিভুতভাবে অবৈধ ৭৭ লাখ ৩৮ হাজার ২৭৭ টাকার সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অপর মামলায় সাবেক ওই সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাবলু’র বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা ও হুলিয়া জারির আদেশ দেয়া হয়েছে।
আসামি সাবেক সংসদ সদস্য মোঃ রেজাউল করিম বাবলু শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিড়া ইউনিয়নের ডোমনপুকুর আকন্দপাড়ার মৃত ময়েন উদ্দিন গোলবাগীর ছেলে।





